• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

বিপাকে পুলিশ: লিপা’র লাশ যাবে কবরে না চিতায়

Captureসিসি নিউজ: নীলফামারীর ডোমারে লিপা’র লাশ হস্তান্তরে বিপাকে পড়েছে পুলিশ। দুই দিন পেরিয়ে গেলেও লাশ হস্তান্তর করতে পারেনি প্রশাসন। লাশ পাওয়ার জন্য দুপক্ষই অনড় থাকায় সিদ্ধাস্ত জানতে আদালতের কাছে যেতে হয়েছে প্রশাসনকে।
ডোমার থানার অফিসার ইন চার্জ কফিল উদ্দিন জানান, ‘লিপার বাবা ও শ্বশুর দুজনই লাশ চাওয়ায় আমরা বিষয়টি আদালতের কাছে পাঠিয়েছি। আদালত যেটি বলবে আমরা সেটাই করবো। আদালতের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত লাশ রংপুরের হিমঘরে থাকবে।’
জানা গেছে, গত সোমবার গভীর রাতে জেলার ডোমার উপজেলার বামুনীয়া ইউনিয়নের খামার বামুনীয়া নাটুয়াগঞ্জ গ্রামের শ্রী অক্ষয় কুমার রায়ের মেয়ে শ্রী লিপা রানী রায় (হুসনে আরা) বাড়িতে থাকা কীটনাশক পান করে। এলাকাবাসী তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, ওই উপজেলার বোড়াগাড়ী গ্রামের জহুরুলের ছেলে হুমায়ূন ফরিদের (লাজু) সাথে নাটুয়াগঞ্জ গ্রামের শ্রী অক্ষয় কুমার রায়ের মেয়ে শ্রী লিপা রানী রায়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে বিয়ে করে দুজন।
বিয়ের জন্য হিন্দু ধর্ম পরিবর্তন করে শরিয়ত মতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে লিপা রানী নিজের নাম পরিবর্তন করে মোছা. হুসনে আরা (লাইজু) নাম রাখেন।
এ ঘটনার লিপার বাবা অক্ষয় কুমার রায় বাদী হয়ে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। পরে দুজনে নীলফামারী আদালতে হাজির হলে লিপার জবানবন্দি অনুযায়ী অপহরণ মামলা খারিজ হয়। এরপর লিপার বাবা মেয়েকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও পাগল বলে আদালতে কাগজপত্র দাখিল করলে আদালত সেটি পরীক্ষার জন্য লিপাকে রাজশাহী সেফ হোমে রাখার নির্দেশ দেয়।
গত ১৫ জানুয়ারি হুমায়ূন নীলফামারী আদালতে যাওয়ার পথে রাস্তায় পড়ে গেলে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ মৃত্যুকে ঘিরেও সৃষ্টি হয়েছে নানা রহস্যের। এরপর থেকেই লিপা তার বাবার বাড়িতে থাকে। এরই মধ্যে সোমবার বাড়িতে থাকা কীটনাশক পান করলে লিপাকে হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
এদিকে, মৃত্যুর পর লিপার বাবার দাবি করে বলেন, ‘আমাদের মেয়েকে চিতায় পোড়ানো হবে।’ অন্যদিকে, লিপার শ্বশুর মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘হোসনে আরা ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক মুসলমান হয়েছে এবং আমার ছেলের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। তাই তার লাশ শরিয়ত মোতাবেক দাফন করা হবে।’ বর্তমানে লিপার লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ